16%
ছাড়
বিস্তারিত
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সচেতন ও ভোজন রসিক মানুষের কাছে সুপরিচিত একটি পণ্য রাতাবোরো চাল। কিশোরগঞ্জ জেলার জিআই স্বীকৃত পণ্য রাতাবোরো চাল মূলত ভাত রান্নার জন্য বিখ্যাত। রাতাবোরো চাল দিয়ে রান্না করা ভাত এর মিষ্টি সুঘ্রাণ এই চালকে করেছে একদম আলাদা।
হালকা সোনালি রঙের রাতাবোরো ধান এর মাথায় থাকে মোরগের মাথার ঝুটির মতো কালো ঝুটি বা মুকুট দেয়া। আঞ্চলিক ভাষায় মোরগকে রাতা নামে অভিহিত করা হয়। এ ধানের চাল হয় সাদা, খাটো ও সুগন্ধযুক্ত। কিন্তু রান্নার পর এই চালের ভাত কিছুটা লম্বাকৃতির হয়ে থাকে। এই চাল ভাতের জন্য বিখ্যাত হলেও পোলাও, বিরিয়ানি, ফিরনী, খিচুড়ি, পায়েস, পিঠা-পুলিও হয়ে থাকে। কিশোরগঞ্জের মেহমানদারিতে প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছে এই রাতাবোরো চাল। বাংলাদেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি এই চাল বিদেশেও রপ্তানি হয়ে থাকে।
কৃষক সমাজে বংশ পরম্পরায় রাতা বোরো ধান প্রায় ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চাষ হয়ে আসছে। মাটিতে পলি মাটির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকায় কিশোরগঞ্জের মাটি প্রাকৃতিকভাবেই উর্বর। তাছাড়া রাতাবোরো ধানে রোগ বালাই খুবই কম হয়। তাই ধান উৎপাদনে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার প্রায় হয় না বললেই চলে।
আহারা সরাসরি কিশোরগঞ্জের প্রান্তিক কৃষকের নিকট হতে অতি প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত রাতাবোরো ধান থেকে উৎপন্ন চাল সংগ্রহ করে । নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহে আহারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কেন রাতাবোরো খাবেন ?
কারণ-
রাতাবোরো চালের স্বাদ ও সুঘ্রাণের সাথে অন্য একটি গুণ হলো এই চালের স্বাস্থ্যগুণ।
রাতা বোরো চালে ভিটামিন বি-১, বি-৩, বি-৬ এবং ম্যাগনিজ, ফসফরাস, ফাইটিক এসিড, ফাইবার, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি খনিজ পদার্থ বেশি মাত্রায় থাকে।
রাতাবোরো চাল অধিক আশঁযুক্ত হওয়ায় পিত্তে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
রাতাবোরো চালের ভাত সহজে হজম হওয়ায় পেটে গ্যাস শোষণ প্রতিরোধ করে।
এই চালে আছে সেলেনিয়াম যা হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারি এবং উচ্চরক্তচাপ ও অন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
Reviews (0)
Get specific details about this product from customers who own it.
This product has no reviews yet. Be the first one to write a review.