11%
ছাড়
বিস্তারিত
বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চলে গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুর। অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি শেরপুর জেলার জিআই স্বীকৃত বিখ্যাত খাদ্য পণ্য তুলশীমালা সুগন্ধি চাল। এই ধান তথা চালের উপর ভিত্তি করেই এ জেলার ব্রান্ডিং স্লোগান হলো “পর্যটনের আনন্দে, তুলশীমালার সুগন্ধে-শেরপুর”।
শেরপুর জেলার তুলশীমালা চালের সুনাম অনেক আগে থেকেই। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানান জাতের সুগন্ধি চাল উৎপাদন হলেও তুলশীমালা চালের স্বাদ ও সুগন্ধ এই চালকে করেছে অনন্য। ঈদ,পূজা-পার্বণ সহ বিভিন্ন উৎসবে তুলশীমালা চাল আত্মীয়দের কাছে পাঠানোর প্রাচীন রীতি আজও আছে শেরপুর জেলায়। তাইতো আঞ্চলিকভাবে এই চালকে “জামাই আদুরি চাল” বলা হয়ে থাকে।
তুলশীমালা চাল, একটি জিআই পন্য, যা স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয়, একটি রপ্তানিযোগ্য সম্ভাবনাময় পণ্য। যা দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও সমাদৃত। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ছোট জাতের অন্য ধানের সাথে তুলশীমালা ধানের সংমিশ্রণে চাল উৎপন্ন করে তুলশীমালা সুগন্ধি চাল নামে বাজারজাত করে। এই চালের সুগন্ধ না থাকায় অনেকে এই চালে কৃত্রিম সুগন্ধি যুক্ত করে। যা শেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী পণ্য তুলশীমালা চাল সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরী করছে। যা কোনভাবেই কাম্য নয়।
শত বছর ধরে জেলার স্থানীয় কৃষকের হাতে পরম যত্মে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদন হয় তুলশীমালা ধান। কালচে ধূসর রঙের তুলশীমালা ধান আকারে সরু ও লম্বাটে হয়। আহারা প্রান্তিক কৃষকের নিকট হতে একদম খাঁটি জাতের ধান সংগ্রহ করে তুলশীমালা সুগন্ধি চাল তৈরী করে থাকে।
তুলশীমালা চালের জন্য আহারা-ই সেরা। কেন ?
কারণ-
একদম খাঁটি জাতের তুলশীমালা ধান থেকে তৈরী। অন্য কোন ছোট জাতের ধানের সংমিশ্রণ নেই।
আমাদের চালে কোন ধরনের কৃত্রিম সুগন্ধি ও কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না।
হাস্কিং মিলে ভাঙানো, কাটিং ও স্লাইসিংমুক্ত চাল।
Reviews (0)
Get specific details about this product from customers who own it.
This product has no reviews yet. Be the first one to write a review.